শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
জাতীয় ত্রয়োদশ নির্বাচনে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকজন। তারেক রহমান বললেন,, আমরা ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না। “সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম”জিয়াউল আহসানের গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেবেন । নির্বাচনকে ঘিরে, সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হচ্ছে: ইসি সানাউল্লাহ আজ দ্বিতীয় দিনের মত পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস । বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নিয়ে করা হবে জানাজা । দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ই’ন্তে’কা’ল করেছেন, বিতর্কিত সাক্ষাৎকারের পর, মুক্তির পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন ,তারেক রহমানের ভক্তরা । ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন জনাব তারেক রহমান । ওসমান হাদির জানাযায় লাক্ষো মানুষের ভিড় ।

জমি কিনতে না পেরে বসত ঘর ভাংচুর ও লুটপাট

ময়মনসিংহ / ৮১ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমি কিনতে না পেরে বসত ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে গেছে প্রভাবশালীরা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমি কিনতে না পেরে বসত ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে গেছে প্রভাবশালীরা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

প্রভাবশালী করম আলী উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের এক নম্বর কুরাটি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। তার ছেলে মুর্তুজ আলী, আলী হোসেন, সুজন ও মোমেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

গত ৫ জানুয়ারি প্রকাশ্যে দিবালোকে নান্দাইল উপজেলার কুরাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ আহম্মেদ জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুই পক্ষের মধ্যে দুইটা মামলা চলমান। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। বসতবাড়ি ভেঙে নেওয়ার ঘটনা আমরা জানা নেই।

ভুক্তভোগী খাইরুল ইসলামের অভিযোগ, বিগত কিছুদিন আগে আমি বাড়ির পাশে পার্শ্ববর্তী ধুরুয়া গ্রামের আবুল হাসেম ও সিদ্দিকের কাছ থেকে ৩০ শতক জমি ক্রয় করে একটি বসত ঘর নির্মাণ করি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মুর্তজ আলী ও আলী হোসেন গংরা গত বছরের ২১ সেপ্টম্বর আমার বসত ঘর ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করলে আসামিরা জামিনে গিয়ে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি সন্ত্রাসী হামলায় তাণ্ডব সৃষ্টি করে আমার বসতঘর ভেঙে নিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী আরও জানান, প্রভাবশালী মুর্তুজ আলী ও আলী হোসেন গংরা এই জমিটি কম দামে কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু আবুল হাসেম ও তার ভাই সিদ্দিক দরদাম করে জমিটি আমার কাছে বিক্রি করছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা আমার বসতবাড়িতে স্বশস্ত্র হামলা চালিয়ে আমার বসতঘর ভেঙে নিয়ে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেল ও সিএনজি ভাঙচুর করে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে, বলেও দাবি খাইরুল ইসলামের।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে মুর্তুজ আলী বলেন, আমরা জমিটি কিনেছি। এটা নিয়ে খায়রুলদের সঙ্গে আদালতে মামলা চলছে। আমরা তাদের বাড়িঘর ভেঙে দেইনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এক ক্লিকে বিভাগের খবর