আজ বুধবার ২৯ জানুয়ারি বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বে ড. মো, সবুর খানের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মান সূচক এই ডিগ্রী প্রদান করা হয়। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মেক্সিকো সিইটিওয়াইএস ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. ফার্নান্দো লিওন-গার্সিয়া, জর্জিয়ার ককেশাস ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. কাখা শেঙ্গেলিয়া এবং ভারতের এনআইএমএস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যাপক ড. বলভীর এস. তোমার সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ড. মো. সবুর খান বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে উচ্চ শিক্ষার রূপান্তর করার ক্ষেত্রে দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং একাডেমিয়ায় উদ্ভাবনে ভূমিকার জন্য এ স্বীকৃতি অর্জন করেন। এ ডিগ্রী ড. সবুর খানের প্রশংসার ও অর্জনের তালিকাকে আরো দীর্ঘ এবং শিক্ষা ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী নেতা হিসেবে তার খ্যাতি আরও মজবুত করবে।
তিনি ২০২৩-২০২৪ এর জন্য এশিয়া ও প্যাসিফিকের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সমিতির (এইউএপি) সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি) এর চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি)-এর ট্রেজারার-ইলেক্ট ও স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং এইউএপি-এর উপদেষ্টা পরিষদেও চেয়ারম্যান।
ডিগ্রী গ্রহণকালে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রতিক্রিয়ায় ড. খান এই স্বীকৃতির জন্য এনএমআইএস বিশ্ববিদ্যালয় এর বোর্ড অব গভর্নরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।”এই স্বীকৃতি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত মাইলফলকই নয় বরং এটি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং শিক্ষায় উৎকর্ষ ড্রাইভিংয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টার একটি প্রমাণ,” বলে ড. মো. সবুর খান মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য, এনআইএমএস (ঘওগঝ) বিশ্ববিদ্যালয় হল ভারতের উচ্চশিক্ষার শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি, যা একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতির জন্য বিখ্যাত। জয়পুরের রাজস্থানে অবস্থিত এনআইএমএস ইউনিভার্সিটি বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম প্রদান করে এবং সমাজে প্রভাবশালী অবদানকে উৎসাহিত করার জন্য স্বীকৃত।