রাজধানীসহ দেশব্যাপী স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে ‘কম্বাইন্ড টহল’ চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
খিলক্ষেত বাজারের বিভিন্ন খাতে, বিশেষ করে রাস্তার পাশের দোকান, অটো রিকশা,কাঁচাবাজার এবং ফুটপাথে চলা চাঁদাবাজির ঘটনা এখন প্রায় নিয়মিত। তবে, যৌথবাহিনীর টহল কার্যক্রম কি কার্যকরভাবে চাঁদাবাজদের আটকাতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, চাঁদাবাজরা প্রশাসনের নীরবতার কারণে নির্বিঘ্নে তাদের অবৈধ কার্যক্রম চালাচ্ছে। যৌথ টহল যদি শুধু কাগজে কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে চাঁদাবাজির সমস্যা সমাধান হবে না। তবে, যদি প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেন এবং অভিযান পরিচালনা করেন, তাহলে চাঁদাবাজি কমানো সম্ভব হতে পারে। এখন দেখার বিষয় হলো, ‘কম্বাইন্ড টহল’ কার্যক্রম কতটা সফল হয় এবং খিলক্ষেত বাজারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কতটুকু কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, সন্ধ্যা থেকে ঢাকাসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যৌথবাহিনীর কম্বাইন্ড টহল চলবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।সোমবার(২৪শেফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।